খুলনা, বাংলাদেশ | ১০ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ | ২৫শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Breaking News

  ডুমুরিয়া সদর ইউনিয়নের উন্নয়নের প্রত্যয়ে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোল্লা আবরার হোসেন সৈকতের দোয়া ও সমর্থন কামনা
  ১১ বছরের পথচলায় খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়: উৎসবের সঙ্গে নতুন স্বপ্নের অঙ্গীকার
  খর্নিয়া ইউপি নির্বাচন ঘিরে সরগরম রাজনৈতিক অঙ্গন, তৃণমূলের আলোচনায় বিএনপি নেতা শেখ শাহিনুর রহমান
  দাকোপে ৩ দিনের ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবন।
  ডুমুরিয়ার খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় বি এনপি নেতা আবুল কাশেম
  ‎ডুমুরিয়ায় ভদ্রানদী খননের মাটি বিক্রি সিন্ডিকেট আবারও সক্রিয়, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন বিদ্ধ জনগণ
  উখিয়ায় ইয়াবাসহ ৪ ভাই-বোন আটক
  দাকোপ উপজেলা নবগঠিত যাত্রা শিল্পী পরিষদের পরিচিতি সভা
  ডুমুরিয়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে ভাড়াটিয়া দোকানদারদের পসরা: চরম ভোগান্তিতে চালক ও সাধারণ মানুষ
  তেরখাদায় উন্নয়ন কার্যক্রম পরিদর্শনে এমপি হেলাল, আবনালী বিলে পোনা অবমুক্ত

কেশবপুরে সড়ক দুর্ভোগে সাগরদত্তকাটির ভুক্তভোগী মানুষ

[ccfic]

পরেশ দেবনাথ, বিশেষ প্রতিনিধি 

যশোরের কেশবপুর উপজেলার পাঁজিয়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী সাগরদত্তকাটি গ্রামের প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা সড়ক দীর্ঘদিনেও উন্নয়নের ছোঁয়া মেলেনি। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কটি কাদা-পানিতে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার প্রায় ৫ থেকে ৭ হাজার মানুষ।স্থানীয়রা জানান, সাগরদত্তকাটি গ্রামের রাজমোনেট বাড়ির অভিমুখে গৌর সরকারের বাড়ি থেকে আব্বাস-এর বাড়ি হয়ে গড়ভাঙ্গা বাজার পর্যন্ত সড়কটি এলাকার মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান পথ। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি কাঁচা ও বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকায় বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ চরমে ওঠে।সরেজমিনে দেখা গেছে, সাগরদত্তকাটি গ্রামের কালীমন্দির সংলগ্ন দুই পাশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। আঁকাবাঁকা প্রায় দুই কিলোমিটার সড়কের বিভিন্ন স্থানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত ও খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাঁটু সমান কাদা-পানি জমে যায়। কোথাও কোথাও বর্ষার পানিতে সড়কের মাটি ধুয়ে পাশের পুকুর ও ডোবায় চলে গেছে।এলাকার ভুক্তভোগী মানুষের অভিযোগ, বিকল্প কোনো সড়ক না থাকায় বাধ্য হয়ে প্রতিদিন হাজারো মানুষ এই রাস্তা ব্যবহার করেন। বৃষ্টির সময় ভ্যান, সাইকেল ও মোটরসাইকেল চলাচল কঠিন হয়ে পড়ে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন বয়স্ক মানুষ, শিশু এবং স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। জরুরি রোগী পরিবহন ও কৃষিপণ্য, বিশেষ করে শাক-সবজি বাজারজাত করতেও নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়।গ্রামবাসীরা জানান, সড়কটি ব্যবহার করতে গিয়ে অনেকেই পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন। কারও হাত-পা ভেঙেছে, আবার অনেক সময় যানবাহনের চাকা ও বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে অনেক শিক্ষার্থী বর্ষাকালে বিদ্যালয়ে যেতেও অনীহা প্রকাশ করে।এলাকবাসীর দাবি, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে জনপ্রতিনিধিরা সড়কটি পাকা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। একাধিকবার রাস্তা মাপামাপিও করা হয়েছে। কিন্তু আজও সড়কটির উন্নয়ন হয়নি। ফলে প্রতিবার বর্ষা এলেই একই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এলাকাবাসীকে।সাগরদত্তকাটি গ্রামের বাসিন্দারা দ্রুত সড়কটি সংস্কার করে পাকা করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত কার্যকর করার উদ্যোগ গ্রহন করা হবে।

আরও সংবাদ

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।

©2025 khulnarsamayerkhobor .com

Developed By: ShimantoIT